জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন কর্তৃক প্রশাসনিক শৃঙ্খলা সুসংহতকরণ, একাডেমিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি, গবেষণা উন্নয়ন, শিক্ষার্থী কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ধারাবাহিক অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, জবাবদিহিতা এবং অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের নেতৃত্বে ‘টিম জগন্নাথ’ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম উপস্থাপন করা হলো:
______
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটির ৮৯তম সভা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর অফিস কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অর্থ কমিটির নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়, আর্থিক প্রশাসন এবং বাজেটসংক্রান্ত বিষয়াদি পর্যালোচনা ও আলোচনা করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীনসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
______
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, এমপি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে আগমন করেন। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের ভবন স্থানান্তরের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আয়োজিত ২১তম ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নবীন শিক্ষার্থীদের দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে মনোযোগের সঙ্গে লেখাপড়া করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য জিমনেশিয়াম ও ইনডোর গেমসের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ মোফাজ্জল হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বার্তার ৬২ তম সংখ্যার (এপ্রিল-জুন, ২০২৬) মোড়ক উন্মোচন করেন উপাচার্য মহোদয়।
____
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে ডায়াগনস্টিক সার্ভিস পরিচালনা এবং এ-সংক্রান্ত আর্থিক নীতিমালা পর্যালোচনার লক্ষ্যে উপাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এবং রেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্ট কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৯তম শৃঙ্খলা বোর্ডের সভা উপাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, সকল অনুষদের ডিনবৃন্দ এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপস্থিত ছিলেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভার-ইন কাউন্সিলের ২০২৬-২৭ মেয়াদের দায়িত্ব হস্তান্তর ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন। অনুষ্ঠানে রোভার-ইন কাউন্সিলের বিদায়ী সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্বাচিত দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। একই সঙ্গে ২০২৫-২০২৬ কাউন্সিল সনদ ও ক্রিকেট কানিভাল পুরস্কার প্রদান এবং স্কাউটদের বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সংশ্লিষ্ট রোভারদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন উপাচার্য মহোদয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করা, বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং ক্রীড়া খাতের প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়কের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, প্রক্টর, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) এবং ক্রীড়া কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের (২০তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী অনিক চন্দ্র পাল রাতে রাজধানীর চানখারপুলে একটি বাসায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে মৃত্যুবরণ করেন, তার মৃত্যুতে উপাচার্য এবং ট্রেজারার গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
______
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
* পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আয়োজিত কেরাত, হামদ, নাতে রাসুল ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের বিশেষ আর্থিক সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ কমিটির সভাপতি, সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ ইদ্রিস আলী। এছাড়া অনলাইনে যুক্ত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) ও যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মাহবুব আলম। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), এমপি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে আর্থিক সম্মাননা দেওয়ার ঘোষণা দেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: রইছ উদ্দীন শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার সচেতনতা ও বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ক্যারিয়ার ক্লাবের ‘Dacoit of Excellence 3.0’ উদ্বোধন করেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের মাঠ ও বিভিন্ন বিভাগে চলমান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিদর্শন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।
* ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের দ্বিতীয় মিডটার্ম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য মহোদয় পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে উপাচার্য পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং পরীক্ষা গ্রহণের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।




