জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে উদযাপন কমিটির দ্বিতীয় সভা রবিবার (১২ জুলাই ২০২৬) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উদযাপন কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন সভাপতিত্বে তাঁর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উদযাপন কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস, চেতনা ও আত্মত্যাগের গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে। জুলাই বিরুদ্ধচারণকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃশ্যমান শাস্তির ব্যবস্থা এবং একই সাথে সজাগ থাকতে হবে যাতে করে পূণরায় ফ্যাসিবাদ মাথাচড়া না দিতে পারে। জুলাই আমাদের অস্তিত্বের বিষয়, জুলাই না হলে আজকে আমাদের অবস্থা কি হতো তা একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালা জানেন। তাই জুলাইকে অন্তর দিয়ে ধারণ করতে হবে। কথা নয় কাজ দিয়েই বাস্তবায়ন করতে হবে জুলাইকে।
সভায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচিগুলো এমনভাবে প্রনয়ন করা হয়েছে যাতে দিবসটির তাৎপর্য, ইতিহাস এবং গণতান্ত্রিক চেতনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরা যায়।
গৃহীত উল্লেখযোগ্য কর্মসূচিগুলির মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে থেকে জুলাই-এর উপর লেখা আহবান এবং পুরুস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
১৬ জুলাই ২০২৬ থেকে ০৩ আগস্টের ২০২৬ তারিখের মধ্যে প্রতিটি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক সেমিনার আয়োজন করা এবং একই সঙ্গে দিবসটি উদযাপনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সমন্বিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
এছাড়াও আগামী ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখ ‘জুলাই শহিদ দিবসে’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বাদ যোহর শহিদদের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন।
৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে’ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে আলোচনা সভার আয়োজন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদের নিয়ে শহিদ ইকরামুল হক সাজিদ ভবনের নীচতলায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মৃতিচিত্র ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত নিয়ে একটি ফটোগ্রাফিক চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন।
সভায় উপস্থিত সদস্যরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরতে গৃহীত কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা
শরমীন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর , অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক, শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি, কর্মচারী সমিতি, সহায়ক র্কমচারী কল্যান সমিতি, জবি কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু), জবির ক্রীয়াশীল ছাত্র সংগঠনের সভাপতি/আহবায়ক ও সাধারণ সম্পাদক/সদস্য সচিব এবং সাংবাদিক ও কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
