জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন কর্তৃক প্রশাসনিক শৃঙ্খলা সুসংহতকরণ, একাডেমিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি, গবেষণা উন্নয়ন, শিক্ষার্থী কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ধারাবাহিক অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, জবাবদিহিতা এবং অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন- এর নেতৃত্বে ‘টিম জগন্নাথ’ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ধারাবাহিক কার্যক্রমসমূহ উপস্থাপন করা হলো:
______________
২৬ এপ্রিল ২০২৬
• উপমহাদেশের বিশিষ্ট আইনজ্ঞ, চিন্তাবিদ ও নির্ভীক সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ-এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সংস্কৃতি পরিষদ-এর আয়োজনে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘অনিন্দ্র সমাজ গড়তে আমাদের ইনসাফের ভূমিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন- কে শিক্ষাসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বাসপ-২০২৬ সম্মাননা’ প্রদান করা হয়।
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে স্টুডেন্ট পোর্টালে প্রদর্শনের লক্ষ্যে ‘ভিউ সেমিস্টার রেজাল্ট’ (View Semester Result) মডিউলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য মহোদয়।
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর আয়োজনে ‘Preparation and Effective Execution of the OBE Curriculum for Course Teachers’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন।
______________
২৫ এপ্রিল ২০২৬
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাধারণ সভা-২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন উল্লেখ করেন পূর্বে প্রতি বছর ২০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালিত হলেও এখন থেকে প্রতি বছর ২ নভেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক, তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালের ২ নভেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণার মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি স্থাপন করেন।
______________
২৪ এপ্রিল ২০২৬
• দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিরাজমান সাম্প্রতিক উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল ২০২৬) সকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন- এর আহ্বানে তাঁর কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী-বান্ধব, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। উপাচার্য ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের দেয়াল লিখন, সংঘাত বা উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি সবাইকে প্ররোচনায় বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এমএ ইন ইংলিশ (প্রফেশনাল) প্রোগ্রামের Summer 2026 সেশনের ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার (২৪ এপ্রিল ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বিভিন্ন পরীক্ষা হল পরিদর্শন করেন।
______________
২৩ এপ্রিল ২০২৬
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পূরক বৃত্তিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে উপাচার্য মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) একটি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তিনি ইউজিসি’র চেয়ারম্যান মহোদয় এবং সম্মানিত সদস্যবৃন্দের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সমস্যা, উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পাশাপাশি উত্থাপিত বিষয়সমূহের কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সহযোগিতা কামনা করেন।
• বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্যে উপাচার্য মহোদয় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সাক্ষাতে তিনি প্রকল্পগুলোর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
______________
২২ এপ্রিল ২০২৬
• বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ম বার্ষিক অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ২০২৫–২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতার ১১টি ইভেন্টে ছাত্র ও ছাত্রী ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়। সেরা অ্যাথলেট (উভয় ক্যাটাগরি) এবং সেরা বিভাগকেও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
• একই দিনে ডিবেটিং কার্যক্রম সংশ্লিষ্টদের সমন্বয় এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধনের লক্ষ্যে উপাচার্যের সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
• এছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে একাডেমিক কাউন্সিলের ৭৭তম বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
______________
২১ এপ্রিল ২০২৬
• ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের স্নাতক (সম্মান) ২০তম ব্যাচের নবীনবরণ ও ১৫তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
• ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নবনিযুক্ত উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
• বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রেক্ষিতে উপাচার্যের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে বিষয়টির পরিষ্কার ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়।
______________
২০ এপ্রিল ২০২৬
• ‘অপারেশন সার্চলাইট ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সূচনা: ইতিহাসের প্রামাণ্য আখ্যানের সন্ধানে’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও দর্শন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়।
• একই দিনে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত ফিজিবিলিটি স্টাডি, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নসহ বিভিন্ন ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
______________
১৯ এপ্রিল ২০২৬
• বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখল হওয়া হল ও জমি পুনরুদ্ধারে করণীয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
• উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহের সমন্বয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
• উপাচার্য মহোদয় বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করে একাডেমিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার নির্দেশনা প্রদান করেন।
______________
১৬ এপ্রিল ২০২৬
• বাংলা বর্ষবরণ ১৪৩৩ উদযাপনে অবদান রাখা সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মানে চা-চক্র অনুষ্ঠিত হয়।
• ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান এবং কর্মচারীর অবসর উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
• আইইআর পরিচালিত পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
______________
১৫ এপ্রিল ২০২৬
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার মানোন্নয়ন ও প্লেজারিজম প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্লেজারিজম সনাক্তকরণ সফটওয়্যার Turnitin ব্যবহারের ওপর একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা দপ্তরের আয়োজনে শহিদ সাজিদ ভবনের মিনি কনফারেন্স হলে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
• বৈশাখী উদ্যাপনের সমাপনী দিনের কার্যক্রম শুরু হয় দুপুর ২টায় শিক্ষার্থীদের পরিবেশনার মাধ্যমে। পরে বিকাল ৩টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ব্যান্ড দলের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত ব্যান্ড সংগীত পরিবেশিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বৈশাখী চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।______________
১৪ এপ্রিল ২০২৬
• পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়। “নববর্ষের আবাহন ঐক্য, শান্তি, উত্তরণ” প্রতিপাদ্যে প্রথমবারের মতো দুই দিনব্যাপী বর্ষবরণ উৎসব আয়োজন করা হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
• উৎসবের সূচনায় বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। শোভাযাত্রায় বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী উপকরণ, শিল্পকর্ম এবং বিভিন্ন প্রতীকী উপস্থাপনা স্থান পায়।
• এছাড়া চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বৈশাখী মেলা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আয়োজন করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করে। সংগীত, নৃত্য ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
______________
১৩ এপ্রিল ২০২৬
• বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্যের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় দুই দিনব্যাপী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
• সভায় বৈশাখী শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, মেলা আয়োজনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির সময়সূচি ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট অনুষদ, বিভাগ, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং প্রশাসনিক দপ্তরসমূহের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়, যাতে প্রতিটি কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা যায়।
• এছাড়া অনুষ্ঠান চলাকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শৃঙ্খলা রক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সভায় অংশগ্রহণকারীরা সম্মিলিতভাবে একটি প্রাণবন্ত, অংশগ্রহণমূলক ও সুশৃঙ্খল বর্ষবরণ আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
______________
১২ এপ্রিল ২০২৬
• উপাচার্য মহোদয় গণিত বিভাগের চলমান সংস্কার কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি ক্লাসরুম, সেমিনার কক্ষ ও করিডোরে চলমান কাজ পরিদর্শন করে সংস্কারকালীন শিক্ষাকার্যক্রম সচল রাখতে বিকল্প ব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে রেট্রোফিটিংসহ সকল সংস্কার কাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
• কেন্দ্রীয় রিসার্চ কমিটির ২৪তম সভায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য গবেষণা প্রকল্প আহ্বান, বিশেষ গবেষণা পুরস্কার প্রদান এবং ইনস্টিটিউশনাল রিভিউ বোর্ড পুনর্গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
______________
৯ এপ্রিল ২০২৬
• পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
• বৈশাখী উদ্যাপনের তৃতীয় প্রস্তুতিমূলক সভায় দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানসূচি চূড়ান্ত করা হয়। শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মেলা ও অন্যান্য কার্যক্রমের বিস্তারিত পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়।
______________
৮ এপ্রিল ২০২৬
• বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবার ‘ভাইস চ্যান্সেলর রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়।
• এমআরডিআই-এর সঙ্গে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
• ‘ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও জেন্ডার সচেতনতা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় এবং শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম চালু করা হয়।
• শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
______________
৭ এপ্রিল ২০২৬
• বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে ছাদের পলেস্তারা খসে শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনায় উপাচার্য মহোদয় সরেজমিনে পরিদর্শন করে অবকাঠামোগত ঝুঁকি নিরূপণ করেন এবং দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহ সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে বিকল্প একাডেমিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন ও রেট্রোফিটিংসহ প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ তাৎক্ষণিক শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
• সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিন পরিদর্শন করে খাদ্যের মান ও পরিবেশ উন্নয়নে নির্দেশনা প্রদান করেন।
• পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর পরিদর্শন করে শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
• ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
• পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
• জকসুর ২য় সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।
• দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্প সংক্রান্ত পিআইসি’র ৭ম সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
______________
৬ এপ্রিল ২০২৬
• বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপন সংক্রান্ত ‘ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প’ এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আরডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত ইউনিটসমূহের কাজের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনায় একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
• একই দিনে পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস কমিটির ১৬তম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
______________
২ এপ্রিল ২০২৬
• বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুইজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহে চলমান ক্লাস কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সংক্রান্ত করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে জকসু প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিকল্প ব্যবস্থাপনা গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের মতামত গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
______________
১ এপ্রিল ২০২৬
• উপাচার্য মহোদয়ের সাথে জবি শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
• এআইএস বিভাগের শিক্ষকের মৃত্যুতে দোআ মাহফিল।
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে সংঘটিত দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে উপাচার্য মহোদয় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি আহত শিক্ষার্থীদের দ্রুত ও যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেন এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি গণিত বিভাগের শিক্ষকদের একাডেমিক কমিটির জরুরি সভা আহ্বানের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
______________
৩১ মার্চ ২০২৬
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত নিযুক্ত উপাচার্যদের মধ্যে প্রথমবারের মতো একই ছাদের নিচে সকল শিক্ষকদের সঙ্গে এ ধরনের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
• সভায় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সকল শিক্ষকের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। একাডেমিক কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শিক্ষার্থীদের ক্লাস, পরীক্ষা ও ফলাফল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।
• অযাচিত ও অযৌক্তিক আন্দোলনের মাধ্যমে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের প্রচেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানানো হয়।
• একই দিনে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উদ্যাপন উপলক্ষে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনের প্রধান, বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন এবং সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। ‘টিম জগন্নাথ’ হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
______________
৩০ মার্চ ২০২৬
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু), বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন এবং দায়িত্বরত সাংবাদিক ও রিপোর্টারদের অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জবি ছাত্রসংগঠনগুলোর ঐক্যের স্বাতন্ত্র্যপূর্ণ ঐতিহ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা উপাচার্য তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সম্পূরক বৃত্তি চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করা হয়। আবাসন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে উল্লেখ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে খাবারের মূল্য হ্রাসের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার বিষয়ে উপাচার্য আশ্বাস প্রদান করেন।
• একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ও সহায়ক কর্মচারীদের সঙ্গে পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
______________
২৯ মার্চ ২০২৬
• উপাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে প্রথম কর্মদিবসে ট্রেজারার, ডিনবৃন্দ, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
• পরবর্তীতে শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি (জকসু), ছাত্রসংগঠন, সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়।
• সভাসমূহে একাডেমিক কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান, নির্ধারিত সময়ে ক্লাস-পরীক্ষা-ফলাফল সম্পন্ন করা, সম্পূরক বৃত্তি চালু, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের অগ্রগতি, অফিসিয়াল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ফাইল উপস্থাপনের নির্দেশ, সেশনজট নিরসনে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম এবং নিয়মিত সিন্ডিকেট সভা আয়োজনের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
______________
২৭ মার্চ ২০২৬
• উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে অবস্থিত শিক্ষার্থী শহীদ ইকরামুল হক সাজিদের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। এ সময় শিক্ষক সমিতিসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
______________
২৬ মার্চ ২০২৬
• মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এবং দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া-এর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
______________
২১ মার্চ ২০২৬
• পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে উপাচার্য মহোদয় ঈদের জামাতে ইমামতি ও খুতবা প্রদান করেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।
______________
১৮ মার্চ ২০২৬
• নবনিযুক্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরদিন, ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন-এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এবং দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া-এর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপাচার্য মহোদয় উভয় নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত সকলে দোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
______________
১৭ মার্চ ২০২৬
• অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অষ্টম উপাচার্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
______________
১৬ মার্চ ২০২৬
• শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী জনাব এহসানুল হক মিলন, এমপি এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ঘোষণা প্রদান করেন।
• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন-কে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
• একই তারিখে জারি করা অফিস আদেশ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে তাঁকে চার বছরের জন্য উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়।
• নবনিযুক্ত উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সকলের উদ্দেশ্যে এক বার্তায় সম্মিলিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
• পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর উপলক্ষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নামাজ আদায় ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। দোয়া অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ যাতে সুশাসন ও স্থিতিশীলতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে পারে সে জন্যও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন সমন্বিত পরিকল্পনা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষা, গবেষণা, অবকাঠামো ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
