logo

Copyright ©2024 Jagannath University. All Rights Reserved

News

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশন গঠনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

  • Published
  • 20 Jul, 2026
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশন গঠনের লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা শুক্রবার (১৭ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশন গঠনের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিন-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এটা অপনার গৃহ। আপনার গৃহের উত্তারাধিকারী আপনি। আপনি আপনার ঘরকে অন্তর দিয়ে ধারণ করবেন। ইতোমধ্যে আমরা টিম জগন্নাথ-এর মাধ্যমে আপনাদেরকে খুঁজে বের করেছি এবং আপনাদের নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। বিশ্বের সকল নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের ভূমিকা অন্যতম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে ধারণ করার কারনেই যমুনা আন্দোলনে আপনারা আমাদের সর্বাত্মকভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছেন।
তিনি বলেন, বর্তমান বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মমতাময়ী মা সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তাই আমরা সম্মিলিতভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের দরবারে একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দাড় করাতে চাই। এখানে যাঁরা সনদধারী তাঁরা সকলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হতে পারবে। ইনশাল্লাহ আগামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবসেই কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, দেশে ও বিদেশে কর্মরত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই গঠন অত্যন্ত জরুরি। অ্যালামনাই গঠনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে আরও ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। সে ক্ষেত্রে অ্যালামনাইদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি তুলে ধরবেন, আর বিশ্ববিদ্যালয়ও তাদের সর্বোচ্চ সম্মান ও সহযোগিতা প্রদান করবে। পারস্পরিক সহযোগিতা, আস্থা ও সম্পর্ক যত সুদৃঢ় হবে, বিশ্ববিদ্যালয় তত দ্রুত কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।
উপাচার্য আরও বলেন, এ ধরনের অ্যালামনাই মিলনমেলা গঠনের লক্ষ্যে একটি ধারাবাহিক কর্মসূচি হিসেবে শুরু হলো। ইতোমধ্যে আমরা ইউজিসিতে কর্মরত সাবেক শিক্ষার্থীদের সাথে বসেছি পর্যায়ক্রমে আমরা বিচার বিভাগ, প্রশাসন, ব্যাংকিং খাত, সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)সহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জবি অ্যালামনাইদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। এই ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। আর আমরা ন্যায় এবং ইনসাফ ভিত্তিক কাজ করবো। এছাড়াও একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, একটি ওয়েবসাইট এবং ব্যাংক একাউন্ট করার ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, ২০০৩ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত এখানে কর্মরত আছি। তাই একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই গঠনের জন্য যা যা করণীয় দরকার আমরা সকলেই তার চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছি। অ্যালামনাইয়ের কানেকশন খুবই জরুরি। অ্যালামনাইয়ের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে পারবো। তাই সাবেক এবং বর্তমানসহ সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একত্রিত করতে অ্যালামনাইয়ের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বজলুর রশীদ খান, জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ নাসির উদ্দিনসহ বিভিন্ন বিভাগের গঠিত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক স্ট্যাডিজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ছালেহ উদ্দিন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, ছাত্র কল্যান পরিচালক, সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্য সচিব ও ট্রেজারার দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. শাহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যবৃন্দ।