logo

Copyright ©2024 Jagannath University. All Rights Reserved

News

শহিদ সাজিদ ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও ময়লা অপসারণ এবং নষ্ট লিফট সচলে উপাচার্যের নির্দেশ

  • Published
  • 09 Sep, 2026

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শহিদ সাজিদ ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা বিভিন্ন সাইকেল ও অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অকশন (নিলাম) না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছে কারণ জানতে চেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন। একই সঙ্গে এসব অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দ্রুত অপসারণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে উপাচার্য শহিদ সাজিদ ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় সেখানে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা বিভিন্ন সাইকেলসহ অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দেখতে পান। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এসব সামগ্রী কেন নিলাম করা হয়নি, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ সুশৃঙ্খল রাখতে দ্রুত এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন উপাচার্য।

পরিদর্শনকালে শহিদ সাজিদ ভবনের চারপাশসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি, টব, ময়লা ও পরিত্যক্ত ডাবের খোসাসহ অন্যান্য আবর্জনা তাঁর নজরে আসে। এসব স্থানে পানি জমে যাতে মশার লার্ভা জন্মাতে না পারে, সে জন্য আজকের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ হিসেবে বজায় রাখতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকা বা ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকার কারণে যেন মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজন হলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেন তিনি।

এ সময় শহিদ সাজিদ ভবনের কেন্দ্রীয় মিলনায়তন সংলগ্ন একটি লিফট গত বৃহস্পতিবার থেকে নষ্ট হয়ে থাকার বিষয়টিও উপাচার্যের নজরে আসে। চার দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও লিফটটি মেরামত না হওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বল্পসংখ্যক লিফট থাকায় এর মধ্যে একটি লিফট দীর্ঘ সময় অচল থাকলে শিক্ষার্থীদের চলাচলে ব্যাপক ভোগান্তি সৃষ্টি হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে নষ্ট লিফটটি দ্রুত মেরামত করে সচল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপাচার্য।

উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি ও সেবামূলক কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির আওতায় রাখতে হবে। কোনো ধরনের সমস্যা দীর্ঘদিন অনিষ্পন্ন অবস্থায় ফেলে রাখা যাবে না। শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

পরিদর্শনকালে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক, পরিবহন প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক, সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ছালেহ উদ্দিন, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।