জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন কর্তৃক প্রশাসনিক শৃঙ্খলা সুসংহতকরণ, একাডেমিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি, গবেষণা উন্নয়ন, শিক্ষার্থী কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে ধারাবাহিক অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, জবাবদিহিতা এবং অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের নেতৃত্বে ‘টিম জগন্নাথ’ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম উপস্থাপন করা হলো:
____________
১৫ অক্টোবর ২০২৬
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১১৩তম সিন্ডিকেট সভা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিন্ডিকেট সভা শুরুর পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন সিন্ডিকেটের নতুন সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। সিন্ডিকেটের নতুন সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মোর্শেদ হাসান খান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মোশাররাফ হোসেন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শাওলী মাহবুব। এছাড়াও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমের মাধ্যমে সিন্ডিকেট সভায় অংশগ্রহণকারী নতুন সদস্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়-২) মিজ নাফিসা আরেফীনকেও শুভেচ্ছা জানান উপাচার্য মহোদয়।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ শহিদুল ইসলাম, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল আলীম, সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান, ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন এবং সিন্ডিকেট সভার সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) মোঃ মাহবুবুল হক পাটোয়ারী সভায় অংশ নেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বহুল প্রত্যাশিত ২য় সমাবর্তন ২০২৭-এর অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় সমাবর্তন ২০২৭-এ অংশগ্রহণে আগ্রহী যোগ্য ডিগ্রিধারীরা ১৫ অক্টোবর ২০২৬ থেকে আগামী ২০ নভেম্বর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী ডিগ্রিধারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সমাবর্তন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিবন্ধন, আবেদন ফি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। সমাবর্তনসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও অনলাইন নিবন্ধনের জন্য ভিজিট করুন: https://convocation.jnu.ac.bd
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষক, জকসু, বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা, সাংবাদিক প্রতিনিধি ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন এবং সভাটি পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিন। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিভাগের শিক্ষার্থী কর্তৃক খিচুড়ি রান্নাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহাবস্থান, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা ও বিবৃতি প্রদানের মাধ্যমে বিষয়টি অধিকতর সন্তোষজনকভাবে সমাধান হয়েছে এবং এ ঘটনার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রক্টর কর্তৃক জারীকৃত পত্রের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে মত প্রকাশ করেন যে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখা সকলের দায়িত্ব। যে বিষয়টি উপাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে ইতোপূর্বে সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসিত হয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে কোনো ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি না করার জন্য তাঁরা আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থিতিশীলতা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করা দরকার। কোনো মহল বা ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের কারণে যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আজম খান, সাবেক প্রক্টর ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক, পূজা উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরঞ্জন কুমার দাস, সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সালেহ উদ্দিন এবং সহকারী প্রক্টর জনাব মোঃ ফেরদাউস হোসেন শিক্ষার্থীদের আগামীকালের কর্মসূচির বিষয়ে সমন্বয় এবং সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে তাদের অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে অংশগ্রহণ করবেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আজম খান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন, বহিরাঙ্গন কার্যক্রমের পরিচালক অধ্যাপক ড. নাছির আহমাদ, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আনওয়ারুস সালাম, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খ্রীষ্টিন রিচার্ডসন, নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আঞ্জুমান আরা, ছাত্র হল ১-এর প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোঃ ওমর ফারুক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদ্যাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরঞ্জন কুমার দাস উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং কর্মচারী ও সহায়ক কর্মচারী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন অনুষদভুক্ত আইন বিভাগ এবং আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘অ্যাডভোকেট তপন বিহারী নাগ ট্রাস্ট’-এর বৃত্তি ও সনদ প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শ্রেণিকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তি ও সনদ তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন। অনুষ্ঠানে আইন অনুষদভুক্ত আইন বিভাগ এবং আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের দুই শিক্ষাবর্ষের মোট ২০ জন শিক্ষার্থীকে এ বৃত্তি প্রদান করা হয়। ট্রাস্টের আওতায় উভয় বিভাগের প্রতিটি শিক্ষাবর্ষ থেকে পাঁচজন করে শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেন। সে অনুযায়ী, দুই বিভাগের দুই শিক্ষাবর্ষের প্রতিটিতে ১০ জন করে মোট ২০ জন শিক্ষার্থী এ বৃত্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হন।
____________
১৩ অক্টোবর ২০২৬
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বহুল প্রত্যাশিত দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, সুন্দর ও সফলভাবে আয়োজন ও সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গঠিত অভ্যর্থনা, সমন্বয় ও মনিটরিং উপ-কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অভ্যর্থনা, সমন্বয় ও মনিটরিং উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দ্বিতীয় সমাবর্তন আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি, সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং সমাবর্তনকে সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গঠিত ১৬টি উপ-কমিটির পরিকল্পনা, কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়। এ সময় প্রতিটি উপ-কমিটির পক্ষ থেকে আহ্বায়কবৃন্দ তাঁদের গৃহীত উদ্যোগ, চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে সভাকে অবহিত করেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬ তথা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযথভাবে উদ্যাপনের লক্ষ্যে গঠিত সাতটি উপ-কমিটির আহ্বায়কদের সমন্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর কনফারেন্স রুমে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আগামী ২ নভেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬ উদ্যাপনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় দিবসটির অনুষ্ঠানসূচি প্রণয়ন, উদ্যাপনের থিম নির্ধারণ, স্পন্সর সংগ্রহ, সাংস্কৃতিক আয়োজন, মঞ্চসজ্জা, দোয়া মাহফিল, প্রচার ও মিডিয়া ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীনসহ বিভিন্ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক উপস্থিত ছিলেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের যাকাত ও কল্যাণ তহবিলের (যাক-তহবিল, জবিপ) ৯ম বৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ভবন-২-এর নিচতলায় সমাজকর্ম বিভাগের ১০১ নম্বর শ্রেণিকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী ৫৬ জন নির্বাচিত শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তির বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গত ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে খিচুড়ি রান্নাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা সহকারী প্রক্টরের উপস্থিতিতে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে। একই সঙ্গে তারা মন্দিরসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুভূতির প্রতি তাঁদের সমান শ্রদ্ধা ও সম্মানের বিষয়টি স্পষ্ট করে, যা পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাডেমিক কমিটিকে অবহিত করা হয়। এ ছাড়া ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা দুঃখ প্রকাশ করে পৃথক একটি বিবৃতিও প্রদান করে।
বিষয়টির গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা বিবেচনায় মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদ্যাপন পরিষদের প্রতিনিধিবৃন্দ, প্রক্টর, রেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সকল পক্ষের বক্তব্য ও ঘটনার সার্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে মাননীয় উপাচার্য বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দাবা দল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুরে অনুষ্ঠিতব্য আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দাবা প্রতিযোগিতা ২০২৬–২০২৭-এ অংশগ্রহণের প্রাক্কালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। আগামী ১৪ থেকে ১৭ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চার দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। সৌজন্য সাক্ষাৎকালে উপাচার্য মহোদয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবা দলের সদস্যদের সাফল্য কামনা করেন।
______________
১১ অক্টোবর ২০২৬
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপন: ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় অভ্যন্তরীণ ও বহিঃরাস্তা, পেরিফেরাল সারফেস ড্রেন, মেইন গেটসহ সম্মুখ সীমানা প্রাচীর এবং সাব-স্টেশন নির্মাণকাজের স্ট্রাকচারাল ও ইলেকট্রিক্যাল নকশার ভেটিং-সংক্রান্ত আর্থিক প্রস্তাব পর্যালোচনা ও চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে ত্রিপক্ষীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর কনফারেন্স কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৫ ইসিবি, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে মনোবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে র্যা লি, সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক চাপ মোকাবিলা এবং মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন। সেমিনারে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে তিনটি শিরোনামে ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। এসব কর্মশালায় মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক সুস্থতা রক্ষা এবং মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর আগে সকালে উপাচার্য মহোদয়ের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি র্যা লি বের করা হয়। র্যা লিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। র্যা লি শেষে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে স্থাপিত মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন (মেন্টাল হেলথ অ্যাসেসমেন্ট) স্টলগুলো পরিদর্শন করেন। এসব স্টলে দিনব্যাপী মানসিক চাপ, উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও আত্মসম্মানবিষয়ক মূল্যায়ন এবং পরামর্শসেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী ফাতেমা তুজ জোহরা।
* জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মনোবিজ্ঞান বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।


