logo

Copyright ©2024 Jagannath University. All Rights Reserved

News

জবিতে ঈদ জামাত ও শুভেচ্ছা বিনিময়, দায়িত্বশীলতার আহ্বান উপাচার্যের

  • Published
  • 25 Mar, 2026
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন  শনিবার (২১ মার্চ ২০২৬) সকাল সাড়ে আটটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় করেন। তিনি ঈদের জামাতে ইমামতি করেন এবং খুতবা প্রদান করেন।
নামাজ শেষে উপাচার্য দোআ পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি দেশ ও জাতির সার্বিক মঙ্গল এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্যের কল্যাণ কামনা করেন।
পরবর্তীতে উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হকসহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা উপাচার্যের সঙ্গে এবং পরস্পরের মধ্যে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন বলেন, যেকোনো নামাজে ইমামতির সময় যেমন মুসল্লিরা ইমামকে অনুসরণ করেন এবং ইমামের কোনো ত্রুটি হলে মুক্তাদিরা তা সংশোধন (লুক্বমা) করে থাকেন, এমনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় কোনো ধরনের ভুল হলে সংশ্লিষ্ট সবার কাছ থেকে গঠনমূলক ও সংশোধনমূলক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখা এবং একে অপরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি সদস্য নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তিনি আগামী ঈদে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং রমজান মাসে অর্জিত আত্মসংযম ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা সারা বছর প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।