জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) পবিত্র ঈদুল আযহা-পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৭ জুন ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অফিস কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমীন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, ইনস্টিটিউটের পরিচালকগণ, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকবৃন্দ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সহায়ক কর্মচারী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সকাল ১১টায় শুরু হওয়া এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সদস্যরা সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে একত্রিত হন এবং একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদানকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন উপস্থিত সকলকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানান। তিনি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, ঈদুল আযহা-পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনী একটি অত্যন্ত ইতিবাচক, তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, সহযোগিতা ও আন্তরিকতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। তিনি উল্লেখ করেন, একটি প্রাণবন্ত ও কর্মমুখর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহযোগিতা এবং সমন্বয়ের বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, একাডেমিক উৎকর্ষতা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতিশীলতা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকলের আন্তরিক সহযোগিতা, দায়িত্বশীলতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে আরও সাফল্য ও অগ্রগতি অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের মিলনমেলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এদিকে পবিত্র ঈদুল আযহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষে আজ রবিবার (৭ জুন ২০২৬) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইনস্টিটিউট, বিভাগ এবং প্রশাসনিক দপ্তরসমূহ পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল আযহা-২০২৬ উপলক্ষে গত ২৮ মে বৃহস্পতিবার সকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে পশু কোরবানি সম্পন্ন করা হয় এবং কোরবানির গোশত বিতরণ করা হয়।


